Sign Up

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

Sign In

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please type your username.

Please type your E-Mail.

Please choose an appropriate title for the question so it can be answered easily.

Please choose the appropriate section so the question can be searched easily.

Please choose suitable Keywords Ex: question, poll.

Type the description thoroughly and in details.

Choose from here the video type.

Put Video ID here: https://www.youtube.com/watch?v=sdUUx5FdySs Ex: "sdUUx5FdySs".

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

শিক্ষা খাতে করোনার প্রভাব

শিক্ষা খাতে করোনার প্রভাব

শিক্ষা খাতে করোনার প্রভাব

শিক্ষা খাতে করোনার প্রভাব

সম্পাদকীয়

2021-05-07
2021-05-07

করোনা মহামারির কারণে সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও মানুষের জীবন-জীবিকা, অর্থনীতি ও শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তবে অর্থনীতির ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া যায়; কিন্তু শিক্ষার ক্ষতি অপূরণীয়। কারণ বিভিন্ন স্তরে শিক্ষা অর্জনের জন্য শিক্ষার্থীদের একটা নির্দিষ্ট বয়স থাকে, সেই বয়স পেরিয়ে গেলে তা আর ফিরে পাওয়া যায় না। ফলে সঠিক বয়সে সঠিক শিক্ষা অর্জিত হয় না। করোনার কারণে সাড়ে ১৩ মাস ধরে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। স্থগিত পাবলিক পরীক্ষাগুলো। ফলে সার্বিকভাবে শিক্ষাক্ষেত্রে যে ক্ষতি হয়েছে, তা কখনোই পুরোপুরি পূরণ সম্ভব হবে না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রশ্ন হলো, জাতির জন্য এর সুদূরপ্রসারী পরিণতি কী? করোনার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত প্রজন্ম এ জাতির জন্য ভবিষ্যতে কী অবদান রাখতে সক্ষম হবে? যথাযথ শিক্ষিত জনগোষ্ঠী না থাকলে মেধা ও মননে, জ্ঞান-বিজ্ঞানে জাতির অগ্রগতি ঘটবে কীভাবে? আর মেধা ও জ্ঞানে অগ্রগতি না হলে দেশ ও জাতির সার্বিক বিকাশই বা ঘটবে কীভাবে? এসব প্রশ্নের কোনো যথার্থ উত্তর নেই কারও কাছে। তবে এ ক্ষতি পুরোপুরি না হলেও অনেকাংশে কাটিয়ে ওঠা যায় কীভাবে, তা নিয়ে সবাইকে ভাবতে হবে এখনই। আমরা মনে করি, এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হওয়া জরুরি। এ উদ্দেশ্যে দেশের শিক্ষাবিদ, শিক্ষাক্রম বিশেষজ্ঞ ও গবেষকদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা যেতে পারে, যারা শিক্ষাক্ষেত্রে করোনার প্রভাব উত্তরণে করণীয় নির্ধারণ করবেন।

চলমান করোনা পরিস্থিতির কারণে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সরকারের পক্ষ থেকে দূরশিক্ষণে তথা টেলিভিশন ও বেতারে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের পাঠদানের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিকল্প পন্থা হিসাবে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম চালু করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখার স্বার্থে ‘নামমাত্র’ মূল্যে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ প্রদানেরও পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। এছাড়া মাধ্যমিক স্তরে অ্যাসাইনমেন্ট দিয়ে কিংবা শিক্ষকদের ব্যক্তিগত যোগাযোগে মূল্যায়ন পর্বও অব্যাহত রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এসব উদ্যোগ সবার কাছে সামনভাবে পৌঁছাচ্ছে না। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে ইন্টারনেটের সংযোগ ঠিকমতো পাওয়া যায় না। তাছাড়া অনেক শিক্ষক ও অধিকাংশ শিক্ষার্থীর ল্যাপটপ নেই। ল্যাপটপের বিকল্প হিসাবে স্মার্টফোনে ক্লাস করা যেতে পারে; তবে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থীর স্মার্টফোনও নেই। সেক্ষেত্রে দরিদ্র শিক্ষার্থীরা শিক্ষায় পিছিয়ে পড়তে পারেন। এতে শিক্ষাক্ষেত্রে এক ধরনের বৈষম্যের সৃষ্টি হবে। তাছাড়া এসব দূরশিক্ষণের মাধ্যমে কতটা মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে, তা নিয়েও দেখা দিয়েছে প্রশ্ন।

করোনা পরিস্থিতির কবে নাগাদ উন্নতি হবে, কবে খুলবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, তা এখনো অজানা। বারবার ঘোষণা দিয়েও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হয়নি। এ পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করতে বিকল্প পথ খুঁজে বের করা জরুরি। কোনো কোনো বিশেষজ্ঞ মনে করেন, করোনাকালীন ও ভবিষ্যৎ বাস্তবতায় আমাদের কিছুটা অফলাইন (সরাসরি) আর কিছুটা অনলাইনে ‘মিশ্র পদ্ধতি’তে যাওয়া উচিত। এ পদ্ধতিতে হতে পারে মূল্যায়নও। আবার অনেকে মনে করছেন, করোনা সংক্রমণ বিবেচনায় এলাকাভিত্তিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া যেতে পারে। আমরা মনে করি, এসব বিষয় গভীরভাবে বিশ্লেষণ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সর্বোত্তম পন্থাটি খুঁজে বের করা দরকার জরুরি ভিত্তিতে।

© JUGANTOR.COM

‘.”

“.’

Related Posts

Leave a comment