Sign Up

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

Sign In

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please type your username.

Please type your E-Mail.

Please choose an appropriate title for the question so it can be answered easily.

Please choose the appropriate section so the question can be searched easily.

Please choose suitable Keywords Ex: question, poll.

Type the description thoroughly and in details.

Choose from here the video type.

Put Video ID here: https://www.youtube.com/watch?v=sdUUx5FdySs Ex: "sdUUx5FdySs".

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

পবিত্র লাইলাতুল কদর

পবিত্র লাইলাতুল কদর

পবিত্র লাইলাতুল কদর

পবিত্র লাইলাতুল কদর

সম্পাদকীয়

2021-05-09
2021-05-09

মানবজাতির প্রতি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের যত নিয়ামত, রহমত ও বরকত রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ হল লাইলাতুল কদর বা শবেকদর। সহস্র মাসের ইবাদত-বন্দেগিতে যে পুণ্য অর্জিত হয়, তার চেয়েও বেশি পুণ্য অর্জিত হয় এই বরকতময় রাতের ইবাদত-বন্দেগিতে। স্বয়ং আল্লাহপাক আল কুরআনে এ রাতের মর্যাদা ও তাৎপর্য নিয়ে এরশাদ করেছেন-নিশ্চয়ই আমি এই কুরআন নাজিল করেছি লাইলাতুল কদরে। আপনি কি জানেন (হে মুহাম্মদ (সা.)! লাইলাতুল কদর কী? লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়ে উত্তম। এ রাতে ফেরেশতারা ও রুহ স্বীয় পালনকর্তার নির্দেশে অবতীর্ণ হন। পরম শান্তি বিরাজ করতে থাকে সূর্যোদয় পর্যন্ত (সূরা কদর)। হযরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে-রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, কদরের এই রাত কেবল আমার উম্মতরাই পেয়েছে। মানুষের প্রতি আল্লাহপাকের যত নিয়ামত ও রহমত রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ হল এমন একটি বরকতময় রজনীকে তাঁর বান্দাদের জন্য নসিব করা।

মহান আল্লাহতায়ালা এই পবিত্র রজনীতেই সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ ঐশী গ্রন্থ কুরআনুল করিম নাজিল করেন। এ কারণেই এই রাত এত বেশি মহিমান্বিত ও মর্যাদাপূর্ণ। পবিত্র কুরআন বিশ্ব মানবের ইহকাল ও পরকালের সামগ্রিক কল্যাণের পথপ্রদর্শক এক সর্বজনীন, শাশ্বত ও পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। পবিত্র কুরআনে লাইলাতুল কদরকে রমজানুল মুবারকের একটি রাত হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। হজরত আয়েশা (রা.) বলেছেন, নবী করিম (সা.) এরশাদ করেছেন, তোমরা রমজানের শেষ দশ দিনে লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান করো (বুখারি শরিফ)। প্রিয় নবী (সা.) বলেছেন, লাইলাতুল কদর রমজানের শেষ দশ বেজোড় রাতগুলোর একটি। অর্থাৎ ২১, ২৩, ২৫, ২৭ বা ২৯তম রাত। এজন্য নবী করিম (সা.) রমজানের শেষ দশ দিন ইতিকাফ করতেন। তবে ইসলামী চিন্তাবিদ, গবেষক ও বিশেষজ্ঞদের অনেকেই রমজান মাসের ২৭তম রাত অর্থাৎ ২৬ রমজান দিবাগত রাতকে পুণ্যময় মহিমান্বিত রজনী হতে পারে বলে উল্লেখ করেছেন।

কুরআনুল করিম নাজিল হওয়া প্রসঙ্গে আল্লাহপাক বলেছেন, এটি একটি কিতাব যা আমি আপনার কাছে বরকত হিসাবে প্রেরণ করেছি; যাতে মানুষ এর আয়াতগুলো নিয়ে চিন্তা করে এবং জ্ঞানীরা তা অনুধাবন করে। প্রিয় নবী (সা.) বলেছেন, তোমাদের মধ্যে ওই ব্যক্তিই উৎকৃষ্ট যে নিজে পবিত্র কুরআন থেকে শিক্ষা লাভ করেছে এবং অপরকেও শিক্ষা দিয়েছে। কুরআন মজিদের শিক্ষা মানুষকে প্রকৃত ইমানদার করে তোলে; চরিত্রকে করে উন্নত। মানুষের ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গে মানবিক অনুভূতির সমন্বয় ঘটিয়ে তাকে সঠিক পথপ্রদর্শন করে। এজন্যই পবিত্র কুরআন পড়ার সঙ্গে এর মর্মবাণী অনুধাবনেরও তাগিদ দেওয়া হয়েছে। কুরআনের মর্মবাণী অনুধাবন করলে মানুষ লোভ-লালসা, হিংসা-দ্বেষ, সন্ত্রাস, পাশবিকতা, ঘৃণ্য আচরণ, পরশ্রীকাতরতা থেকে নিজেদের মুক্ত রাখতে পারবে। মানুষ হয়ে উঠবে গরিব-দুঃখীদের প্রতি দরদি ও সহানুভূতিশীল। আজকের রাতে ব্যক্তি-সমাজ-রাষ্ট্রের কল্যাণে এবং বিশেষ করে এ সময়ে পৃথিবীতে মহামারি হিসাবে আবির্ভূত হওয়া করোনাভাইরাসের কবল থেকে মুক্তিলাভের জন্য ইবাদত-বন্দেগি করে কাটাবে মানুষ। মহান আল্লাহ যেন এ প্রার্থনা কবুল করে নেন।

© JUGANTOR.COM

‘.”

“.’

Related Posts

Leave a comment