Sign Up

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

Sign In

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please type your username.

Please type your E-Mail.

Please choose an appropriate title for the question so it can be answered easily.

Please choose the appropriate section so the question can be searched easily.

Please choose suitable Keywords Ex: question, poll.

Type the description thoroughly and in details.

Choose from here the video type.

Put Video ID here: https://www.youtube.com/watch?v=sdUUx5FdySs Ex: "sdUUx5FdySs".

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

‘নির্ধারিত তারিখের আগে বাজারে আম পেলেই ব্যবস্থা’

‘নির্ধারিত তারিখের আগে বাজারে আম পেলেই ব্যবস্থা’

‘নির্ধারিত তারিখের আগে বাজারে আম পেলেই ব্যবস্থা’

‘নির্ধারিত তারিখের আগে বাজারে আম পেলেই ব্যবস্থা’

সারাদেশ

রাজশাহী ব্যুরো

2021-05-06
2021-05-06

বাজারে নিরাপদ ও পরিপক্ব আম নিশ্চিত করতে এবারও গাছ থেকে নামানোর সময় বেঁধে দিয়েছে প্রশাসন। নির্ধারিত তারিখের আগে আম বাজারে পেলেই ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন। তবে বাগানে আম আগে পাকলে সেটা প্রশাসনকে অবহিত করতে হবে। 

বৃহস্পতিবার কৃষিবিদ, ফল গবেষক, চাষী ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সভা করে জেলা প্রশাসন আম নামানোর তারিখ নির্ধারণ করে। দুপুরে ভার্চুয়ালি এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সবার মতামতের ভিত্তিতে আম নামানোর তারিখ নির্ধারণ করা হয়। 

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত বছর যেসব জাতের আম যেদিন থেকে নামানো শুরু হয়েছিল, এবারও তাই। এর মধ্যে সব ধরনের গুটি জাতের আম নামানো যাবে আগামী ১৫ মে থেকে। আর উন্নতজাতের আমগুলোর মধ্যে গোপালভোগ ২০ মে, লক্ষণভোগ বা লখনা ও রানীপছন্দ ২৫ মে এবং হিমসাগর বা খিরসাপাত ২৮ মে থেকে নামিয়ে হাটে তুলতে পারবেন বাগান মালিক ও চাষীরা।

এছাড়া ৬ জুন থেকে ল্যাংড়া, ১৫ জুন থেকে ফজলি ও আম্রপালি এবং ১০ জুলাই থেকে আশ্বিনা ও বারি আম-৪ নামানো যাবে। নির্ধারিত সময়ের আগে আম বাজারে পেলে ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন। তবে কারও বাগানে নির্ধারিত সময়ের আগেই আম পাকলে তা প্রশাসনকে অবহিত করতে হবে।

ভার্চুয়াল সভা শেষে জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। 

তিনি বলেন, বাজারে পরিপক্ব ও নিরাপদ আম নিশ্চিত করতে প্রতি বছরই রাজশাহীতে তারিখ নির্ধারণ করা হয়। এবারও সংশ্লিষ্ট সবার মতামতের ভিত্তিতে তারিখ ঠিক করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক আরও জানান, করোনাভাইরাসের সংক্রমণের মধ্যে আমের বাজারগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করার বিষয়টিও সভায় আলোচিত হয়েছে। হাটগুলোতে সার্বক্ষণিক পুলিশ থাকবে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সহকারী কমিশনাররাও বিষয়টি দেখভাল করবেন।

রাজশাহীতে সবচেয়ে বড় আমের হাট বসে পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বরে। এছাড়া পুঠিয়ার বানেশ্বর, বাঘার আড়ানী, মনিগ্রাম, বাউসা ও পাকুড়িয়া এবং মোহনপুরের কামারপাড়ায় পাইকারি আমের হাট বসে। হাটগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসনকে ইতোমধ্যে প্রস্তুতি রাখতে বলা হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর জানিয়েছে, রাজশাহীতে এ বছর ১৭ হাজার ৯৪৩ হেক্টর জমিতে আম বাগান আছে। গত বছর ১৭ হাজার ৫৭৩ হেক্টর জমিতে আমবাগান ছিল। এবার বাগান বেড়েছে ৩৭৩ হেক্টর জমিতে। 

এ বছর হেক্টরপ্রতি ১১ দশমিক ৯ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলে জেলায় এ বছর মোট দুই লাখ ১৯ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদন হবে। তবে খরার কারণে এবার আমের ফলন কমে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।

© JUGANTOR.COM

‘.”

“.’

Related Posts

Leave a comment