Sign Up

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

Sign In

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please type your username.

Please type your E-Mail.

Please choose an appropriate title for the question so it can be answered easily.

Please choose the appropriate section so the question can be searched easily.

Please choose suitable Keywords Ex: question, poll.

Type the description thoroughly and in details.

Choose from here the video type.

Put Video ID here: https://www.youtube.com/watch?v=sdUUx5FdySs Ex: "sdUUx5FdySs".

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

চ্যালেঞ্জের মুখে জীবন-জীবিকা

চ্যালেঞ্জের মুখে জীবন-জীবিকা

চ্যালেঞ্জের মুখে জীবন-জীবিকা

চ্যালেঞ্জের মুখে জীবন-জীবিকা

সম্পাদকীয়

আর কে চৌধুরী

2021-05-07
2021-05-07

‘লকডাউনে’ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন খেটে খাওয়া দিনমজুর শ্রেণির মানুষ। অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের এসব মানুষকে আর্থিক সহায়তা দিতে সরকারের আর্থিক সহায়তা কর্মসূচির আওতা বাড়াতে হবে। গত বছরের এই সময়ে আর্থিক সহায়তা দিতে গিয়ে কিছু অনিয়ম-দুর্নীতি সংঘটিত হলেও মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছেছে। এবারও এ সহায়তা চালু করা শুধু নয়, বাড়াতে হবে। গ্রামের তুলনায় নগরকেন্দ্রিক দরিদ্র মানুষ বেশি কষ্টের মধ্যে রয়েছে। তাদের সংকটটা একটু বেশিই। কারণ গ্রামে এমনিতেই কোভিডের প্রভাব কম, ফলে মানুষের দুর্ভোগও কম। এজন্য নগরকেন্দ্রিক দরিদ্র মানুষের জন্য আলাদাভাবে আর্থিক ও খাদ্য সহায়তা দেওয়া প্রয়োজন। জীবন বাঁচানোর জন্যই সরকার লকডাউনের মতো কঠিন পথ বেছে নিয়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মতে, করোনার দ্বিতীয় অভিঘাতের দাপট প্রথমবারের চেয়ে বেশি। দিন দিন পরিস্থিতি অবনতিশীল হয়ে উঠছে। এ অবস্থায় কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মানার বিকল্প নেই। করোনাকালে কলকারখানা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালু রাখা হয়েছে। এটা ভালো উদ্যোগ। আমাদের মতে, ঘরের বাইরে সবাই মাস্ক ব্যবহার করলে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে লকডাউনের প্রয়োজন হবে না। এজন্য সর্বত্র যাতে স্বাস্থ্যবিধি জোরালোভাবে মানা হয়, তা নিশ্চিত করা জরুরি।

গত বছর দেশে করোনার প্রকোপ শুরু হওয়ার পর ব্যক্তি উদ্যোগে অনেকে স্বল্প আয়ের শ্রমজীবী মানুষের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। আবার সরকারও গত বছর বড় অঙ্কের প্রণোদনা প্যাকেজ ও সহায়তার ঘোষণা দেয়। এবার করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ‘লকডাউনের’ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাবে তিন বেলা খাবার জোটাতে হিমশিম খাওয়া মানুষের সংখ্যা বাড়লেও সরকারি-বেসরকারি সহায়তা বা প্রণোদনার খোঁজ মিলছে না। ফলে প্রতিদিনের আয়ে যাদের সংসার চলে, এমন মানুষের আয় কমে গেছে। খেটে খাওয়া মানুষ বড় বিপাকে পড়েছে। এখন এসব মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। মানুষকে ঘরে রাখতে সর্বাত্মক সহায়তা দিতে হবে। এগিয়ে আসতে হবে সবাইকে।

বৈশ্বিক এই মহামারি দেশের তো বটেই, গোটা বিশ্বের অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছে। রপ্তানি বাণিজ্যে দেখা দিয়েছে স্থবিরতা। নতুন বিনিয়োগ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বেসরকারি কর্মজীবীদের একটি বড় অংশ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। অনেকে অর্ধেক বেতনে কোনোমতে টিকে থাকার চেষ্টা করছে। মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রেণির পাশাপাশি শ্রমজীবীদেরও কাজের অভাব দেখা দিয়েছে। বেসরকারি কর্মজীবীদের অনেকেই চাকরি হারিয়ে টিকে থাকার জন্য বিকল্প পেশা বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছে। গার্মেন্ট ফ্যাক্টরির উৎপাদন ব্যবস্থাপক রাস্তায় ভ্যানগাড়িতে তরমুজ বিক্রি করছেন, এমন সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে পত্রিকায়। কণ্ঠের জাদুতে মঞ্চ কাঁপাতেন, এমন শিল্পী আজ ঘরে বসে আছেন, উপার্জন নেই।

মানুষের জীবন-জীবিকা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে করোনাকালে। বলা হয়, ক্ষুধার জ্বালা খুবই অসহ্য, যা মানুষকে ঝুঁকি নিতে বাধ্য করে। লকডাউনকালে এ কারণেই জীবিকার সন্ধানে বেরিয়ে পড়ছে নিম্ন আয়ের মানুষ। দিন আনে দিন খায় এমন মানুষ জীবনের তাগিদে ঘর থেকে বের হচ্ছেন বাধ্য হয়ে। গত এক বছর করোনার ঘায়ে গরিবের তালিকায় যুক্ত হয়েছেন প্রায় আড়াই কোটি মানুষ। গ্রামের চেয়ে শহরাঞ্চলেই সংকটাপন্নের সংখ্যা বেশি। এ পরিস্থিতি নিরসনে শহরের দরিদ্র শ্রেণি ও নতুন দরিদ্রদের জন্য বিদ্যমান সুরক্ষা কর্মসূচির পাশাপাশি কার্যকর ও প্রযুক্তিভিত্তিক নতুন আরও কর্মসূচি হাতে নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদরা।

আর কে চৌধুরী : সাবেক চেয়ারম্যান, রাজউক; মুক্তিযুদ্ধে ২ ও ৩নং সেক্টরের রাজনৈতিক উপদেষ্টা

 

© JUGANTOR.COM

‘.”

“.’

Related Posts

Leave a comment