Sign Up

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

Sign In

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please type your username.

Please type your E-Mail.

Please choose an appropriate title for the question so it can be answered easily.

Please choose the appropriate section so the question can be searched easily.

Please choose suitable Keywords Ex: question, poll.

Type the description thoroughly and in details.

Choose from here the video type.

Put Video ID here: https://www.youtube.com/watch?v=sdUUx5FdySs Ex: "sdUUx5FdySs".

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

করোনায় দেশে মৃত্যু কমে ৩৭ জন, শনাক্ত ১৬৮২

করোনায় দেশে মৃত্যু কমে ৩৭ জন, শনাক্ত ১৬৮২

করোনায় দেশে মৃত্যু কমে ৩৭ জন, শনাক্ত ১৬৮২

করোনায় দেশে মৃত্যু কমে ৩৭ জন, শনাক্ত ১৬৮২

অন্যান্য

যুগান্তর প্রতিবেদন

2021-05-07
2021-05-07

মহামারি করোনা আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।যা গত ৫ সপ্তাহের সর্বনিম্ন।এ নিয়ে দেশে করোনায় প্রাণ হারালেন মোট ১১ হাজার ৮৩৩ জন। আর গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণঘাতি ভাইরাসটি ধরা পড়েছে ১ হাজার ৬৮২ জনের শরীরে।

শুক্রবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্যে এসব জানা গেছে।এর আগে গত ১৯ এপ্রিল ১১২ জনের সর্বোচ্চ মৃত্যুর খবর দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এটি দেশে এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ সংখ্যক মৃত্যুর রেকর্ড। এর আগে গত ১৬ ও ১৭ এপ্রিল করোনায় ১০১ জন করে মারা যান। আর ১৮ এপ্রিল করোনায় মারা যান ১০২ জন। দেশে প্রথম রেকর্ড মৃত্যু হয় সর্বাত্মক লকডাউনের প্রথম দিন ৯৬ জনের মৃত্যুর মধ্যদিয়ে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ১৬৮২ জন নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৭ লাখ ৭০ হাজার ৮৪২ জন।২৪ ঘণ্টায় ১৭ হাজার ১৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ৯ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা শনাক্ত হয়। আর প্রথম মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ। গত বছরের মে মাসের মাঝামাঝি থেকে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত শনাক্তের হার ২০ শতাংশের ওপরে ছিল। এরপর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করে করোনা পরিস্থিতি।

কিন্তু এ বছর মার্চে শুরু হয়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। প্রথম ঢেউয়ের চেয়ে এবার সংক্রমণ বেশি তীব্র। মধ্যে কয়েক মাস ধরে শনাক্তের চেয়ে সুস্থ বেশি হওয়ায় দেশে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা কমে আসছিল। কিন্তু মার্চ থেকে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যাও আবার বাড়তে শুরু করেছে।গত বছরে এত মৃত্যুর সংখ্যা দেখেনি দেশ। তবে এ বছরই আক্রান্ত ও মৃত্যু রেকর্ড হারে বাড়তে থাকে।

© JUGANTOR.COM

‘.”

“.’

Related Posts

Leave a comment