Sign Up

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

Sign In

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please type your username.

Please type your E-Mail.

Please choose an appropriate title for the question so it can be answered easily.

Please choose the appropriate section so the question can be searched easily.

Please choose suitable Keywords Ex: question, poll.

Type the description thoroughly and in details.

Choose from here the video type.

Put Video ID here: https://www.youtube.com/watch?v=sdUUx5FdySs Ex: "sdUUx5FdySs".

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

অনলাইনে যেভাবে করবেন ই-পাসপোর্টের আবেদন – বিস্তারিত গাইড লাইন

অনলাইনে যেভাবে করবেন ই-পাসপোর্টের আবেদন – বিস্তারিত গাইড লাইন

বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট নিয়ে জল্পনা কল্পনার পর অবশেষে চালু হল বহুল কাঙ্খিত ই-পাসপোর্ট; বাংলাদেশে পুনরায় ই-পাসপোর্ট চালু সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর। অনলাইনে ই-পাসপোর্ট আবেদন, আবেদন ফি, ও আবেদনের বিস্তারিত নিয়ম নিয়ে আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করব।

  • ই-পাসপোর্ট চালু সংক্রান্ত অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিটি দেখুন;

আবেদন করার পূর্বে আপনাদের গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় জানিয়ে রাখি। খুবই গুরুত্ব দিয়ে আজকের টিউনটি পড়বেন এবং শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিবেন।

পাসপোর্ট অফিসে আবেদনপত্র জমা দেওয়ার সময় যে সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে যেতে হবে:

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

  • ১। আবেদনপত্রের প্রিন্ট কপি
  • ২। এপয়েন্টমেন্ট শিডিউলের প্রিন্ট কপি
  • ৩। পেমেন্ট স্লিপ কপি
  • ৪। মূল জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্মনিবন্ধন সনদ এবং তার ফটোকপি (২০ বছর বয়স থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র বাধ্যতামুলক)
  • ৫। পূর্ববর্তী পাসপোর্ট এবং পাসপোর্ট এর ডাটা পেইজ এর ফটোকপি (যদি থাকে)
  • ৬। তথ্য সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (যদি থাকে)

ই-পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন করার ধাপ সমূহ-

ই-পাসপোর্ট আবেদনের জন্য ৫টি সহজ ধাপ রয়েছে।

ধাপগুলো হলো:

ধাপ-১ : বর্তমানে বসবাসরত জেলাতে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম শুরু হয়েছে কি না দেখুন ।

বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগীয় ও আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস এবং বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসে ধাপে ধাপে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম শুরু হবে। তাই নিজ জেলাতে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম শুরু হলে আবেদনের প্রস্ততি গ্রহণ করুন।

অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে বর্তমান ঠিকানা অনুযায়ী জেলা ও থানার নাম অর্ন্তভুক্ত করুন।

বাংলাদেশের পাসপোর্ট অফিস অথবা দূতাবাসের লিস্ট থেকে নির্দিষ্ট অফিস নির্বাচন করুন।

ধাপ-২ : অনলাইনে ই-পাসপোর্ট আবেদন ফরম পূরণ করুন।

ই-পাসপোর্ট আবেদন দুইটি প্রক্রিয়ায় সম্পাদন করা যায় ।

অনলাইন আবেদন :

আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য ক্লিক করুন ‘এখানে’ অনলাইন পেমেন্ট অপশন নির্বাচন করুন, এতে আপনার সময় সাশ্রয় হবে ।

অফলাইন আবেদন :

ই-পাসপোর্টের পিডিএফ (অফলাইন আবেদন বর্তমানে চালু নেই। খুব শিগ্রই চালু হবে।) আবেদন ফরম ডাউনলোড করার পর কম্পিউটারে সরাসরি পূরণ করতে পারেন ।

পিডিএফ এডিটরের সহায়তায় ফরম পূরণ করে প্রিন্ট করুণ। পূরণকৃত ফরম প্রিন্ট করে প্রয়োজনীয় দলিলাদিসহ (যেমন : জাতীয় পরিচয় পত্র, পুরাতন পাসপোর্ট [যদি থাকে], প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অন্যান্য প্রমাণক) পাসপোর্ট অফিস বা দূতাবাসে যোগাযোগ করুন ।

তবে নিশ্চিত হউন আপনার সংশ্লিষ্ট অফিস/দূতাবাসে ই-পাসপোর্টের কার্যক্রম শুরু হয়েছে কি না ?

মনে রাখুন : আবেদন অবশ্যই কম্পিউটারে পূরণ করতে হবে। হাতে লেখা কোন আবেদন গৃহীত হবে না।

ধাপ-৩ : পাসপোর্ট ফি পরিশোধ

তালিকাভুক্তির জন্য পাসপোর্টের নির্ধারিত ফি পরিশোধ করুন । আপনি যখন অনলাইন আবেদন করবেন তখন ফি পরিশোধের জন্য অনেক বিকল্প পাবেন (যেমন : ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ ও অন্যান্য)

এছাড়া নির্ধারিত ব্যাংকে ফি পরিশোধ এর সুযোগ রয়েছে । যখন ব্যাংক ফি পরিশোধ করবেন তখন পাসপোর্ট আবেদনপত্র সাথে রাখা রাখবেন।

ধাপ-৪ : ছবি ও ফিঙ্গার প্রিন্টের জন্য পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ;

ছবি ও ফিঙ্গার প্রিন্টের জন্য পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার আগে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে নিয়েছেন কি না নিশ্চিত হোন। কমপক্ষে প্রিন্টেড আবেদন, পেমেন্ট স্লিপ, জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্ম সনদ, সর্বশেষ পুরোনা পাসপোর্ট (যদি থাকে) এবং অন্যান্য কাগজপত্র (যেটি আপনি সহায়ক মনে করেন) সঙ্গে রাখুন।

বর্তমানে ঠিকানা অনুযায়ী দেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে আবেদন করুন। সকল বাংলাদেশ দূতাবাসে দেশের ঠিকানা অনুযায়ী আবেদন করা যাবে । পাসপোর্ট অফিসে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত বিষয়াদি যাচাই করা হয়।

  • কাগজপত্র ও ব্যক্তিগত তথ্য যাচাই।
  • আবেদনকারীর ফটো তোলা।
  • আঙ্গুলের ছাপ ও আইরিশের ছবি গ্রহণ।
  • যথাযথভাবে পাসপোর্ট ফি পরিশোধ হয়মনে রাখুন : তালিকাভুক্তির পর সরবরাহকৃত ডেলিভারি স্লিপ সংরক্ষন করুন । পাসপোর্ট সংগ্রহের সময় ডেলিভারি স্লিপ প্রর্দশন বাধ্যতামূলক ।

ধাপ-৫ : পাসপোর্ট অফিস থেকে ই-পাসপোর্ট সংগ্রহ :

আবেদনকারীকে সশরীরে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে। পাসপোর্ট সংগ্রহের সময় আবেদনকারীর ফিঙ্গারপ্রিন্টের সাথে এনরোলমেন্টের ফিঙ্গার প্রিন্টের মিল আছে কি না পরীক্ষা করা হবে ।

পাসপোর্ট সংগ্রহের সময় নিম্ন বর্ণিত প্রমাণক সাথে আনতে হবে :

  • ডেলিভারী স্লিপ/রশিদ: এনরোলমেন্ট সম্পন্ন হওয়ার পর প্রদেয় স্লিপ
  • সর্বশেষ পুরানো পাসপোর্ট (যদি থাকে)
  • বিশেষ ক্ষেত্রে উপযুক্ত বাহকের কাছে পাসপোর্ট প্রদান করা যেতে পারে।
  • ১১ (এগার) বছরের কম বয়সী সন্তানের পিতামাতা/বৈধ অভিভাবক নিজের জাতীয় পরিচয় পত্র, আবেদনকৃত পাসপোর্ট ডেলিভারি স্লিপ/রশিদ ও পূর্বের পাসপোর্ট (যদি থাকে) প্রদর্শন সাপেক্ষে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে পারবেন।
  • অসুস্থ ব্যক্তির ক্ষেত্রে ক্ষমতা হস্তান্তর পত্র, আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র, পুরাতন পাসপোর্ট (যদি থাকে) এবং ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র, পুরাতন পাসপোর্ট (যদি থাকে) যাচাই সাপেক্ষে পাসপোর্ট প্রদান করা যাবে।

Related Posts

Leave a comment